সরেজমিনে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে সপ্তাহব্যাপী অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে আল মামুনের গ্রহণযোগ্যতা তুঙ্গে। সবুজ ছায়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সফল এই ব্যবসায়ী বিগত দেড় দশকে মামলা-মোকদ্দমা ও প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হওয়া নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিভাবকের মতো। প্রচারবিমুখ এই নেতা পর্দার আড়ালে থেকে দলকে সুসংগঠিত করতে অর্থ ও মেধা দিয়ে নিরলস কাজ করে গেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের পক্ষে রাঙ্গাবালী উপজেলার নির্বাচন পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার সুচারু পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমে উপজেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় ধানের শীষের বিপুল বিজয় নিশ্চিত হয়। এই নির্বাচনী সাফল্যের পর তিনি এখন রাঙ্গাবালীর তৃণমূলের ‘প্রাণের মানুষে’ পরিণত হয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য: উপজেলার বিভিন্ন বয়সের অন্তত শতাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাজী আল মামুন কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং একজন বিশিষ্ট দানবীর ও শিক্ষানুরাগী হিসেবেও পরিচিত। সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তার বিশেষ অবদান সর্বজনস্বীকৃত। এলাকাবাসীর মতে, রাঙ্গাবালীর অবহেলিত জনপদকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন উপজেলায় রূপান্তর করতে তার মতো ত্যাগী নেতৃত্বের বিকল্প নেই।
এ বিষয়ে হাজী আল মামুন বলেন, “আমি পদের মোহ করি না, সবসময় জনগণের সেবা করতে চেয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথের আন্দোলনে অবিচল থেকেছি। রাঙ্গাবালীর মানুষ যদি মনে করে আমি তাদের সেবক হওয়ার যোগ্য, তবে তাদের প্রত্যাশা পূরণে এবং একটি নিরাপদ ও স্বচ্ছ ভবিষ্যৎ গড়তে আমি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।”
উল্লেখ্য, প্রায় সোয়া লাখ জনসংখ্যার এই উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৯৮ হাজার। আসন্ন নির্বাচনে ছয়টি ইউনিয়নের ভোটাররা এখন একজন সৎ ও কর্মঠ অভিভাবকের অপেক্ষায় রয়েছেন, যার প্রতিফলন হিসেবে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন আল মামুন।
